সিসিটিভি ক্যামেরা প্যাকেজ ২০২৩।। CCTV Camera Price

বর্তমান সময় ডিজিটাল যুগে সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবহার ব্যক্তিগত দিক দিয়ে চাহিদা অনুসারে ক্রমেই বেড়ে চলেছে। সঠিক নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার জন্য সিসিটিভি ক্যামেরার প্রচলন চালু হয়েছে। সেক্ষেত্রে ক্লোজ সার্কিট টেলিভিশন ক্যামেরাকেই সিসিটিভি ক্যামেরা বলা হয়। কারণ ক্লোজ সার্কিট টেলিভিশন ক্যামেরার সঠিক দৃশ্যমান সহ অন্যান্যসব স্বকীয় কারণ সমূহ ভিডিও রেকর্ডিং তৈরি করতে পারে। সিসিটিভি ক্যামেরার প্রধান কাজ হচ্ছে দৃষ্টিশক্তি ক্যাপচার এবং এটিকে ভিডিও প্রদর্শন তৈরি করা। অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বাসা-বাড়ির নিরাপত্তার জন্যেও সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়। এই সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা কোন প্রকার ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা সম্পর্কিত উপযুক্ত খবরাখবর নির্ণয় করা সহজলভ্য হয়। 

সিসিটিভি-ক্যামেরা-প্যাকেজ-২০২৩-।।-CCTV-Camera-Price


সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহার করার জন্য অতি সহজে আমাদের বাসা-বাড়ি বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কিরকম কার্যক্রম চলছে তা নিমিষের মধ্যে জানতে পারি। আগের যুগে অনেক অ্যানালগ ক্যামেরার ব্যবহার ছিল কিন্তু বর্তমান সময়ে ডিজিটাল ক্যামেরার ব্যবহার শুরু হয়েছে। এসব ক্যামেরার ভিডিও ক্যাপচারের জন্য কোন প্রকার কার্ড এর ব্যবহার হয় না। এগুলো ডিজিটাল সিসিটিভি ক্যামেরা নিজস্ব সিগন্যালে কাজ করে, যা কিনা সঙ্গে সঙ্গে কম্পিউটারে ধারণ করা যায়। 

এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকার অপরাধ এবং বেআইনী ঘটনাবলীর সঠিক তদন্তের জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহারের কারণে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এগিকে জনসাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হচ্ছে সচেতনতা। সেজন্য অনেকে নিজের বাসা-বাড়ি এবং অফিস সহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সঠিক নিরাপত্তা পুরোপুরী নিশ্চিত করতে লাগিয়ে ফেলছেন সিসিটিভি ক্যামেরা।

কোন ধরণের সিসি ক্যামেরা উপযুক্ত?

বুলেট সিসিটিভি ক্যামেরা ভিতরে ব্যবহার করার জন্যই একমাত্র ডিজাইন করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আবার কখনও এই বুলেট সিসিটিভি ক্যামেরাগুলি প্রয়োজনের তাগিদে বাড়ির বাহিরেও ব্যবহার করা হয়। এটি বিশেষ ধরণের হাউজিং দিয়ে যার সাথে পানি, পোকামাকড়, অতি ক্ষুদ্র ধুলাবালি এবং বিভিন্ন প্রকার মারাত্মক জিনিসগুলি থেকে উদ্ধার করে।

ডোম ক্যামেরা অত্যন্ত ডোম আকারের জন্য নামকরণ দেয়া হয়েছে। ডোম ক্যামেরা দেখতে অনেক ছোট হয় এবং ভিতরে ব্যবহার করার জন্য ডিজাইন করা হয়। তবে ডোম ক্যামেরা কখন কোন দিকে পয়েন্ট হয়ে থাকে তা বোঝা সম্ভব নয়।

চতুরদিকে একই সময়ের মধ্যে ভিডিও ধারণ করে বলে এগুলোকে ক্যামেরাকে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা বলা হয়। এসব ক্যামেরা মুলত গোলাআকৃতি হয় এবং দেয়ালের সিলিংএ সেটআপ করার জন্যই ডিজাইন করা হয়েছে।

পেন, টিল্ট ও জুম পিটিজেড ক্যামেরা শুধুমাত্র একদিকে ফোকাস করে সেক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী এগুলো ডানে, বামে, উপরে ও নিচে ঘুরানো যায় এবং লেন্সের সাহায্যে ইচ্ছেমত জুম আউট করা যায়। এগুলো ক্যামেরা বিভিন্ন সাইজের হয়ে থাকে।

মিনি সিসি ক্যামেরাগুলো দেখতে অনেক ছোট হয় এবং ততক্ষণাৎ পাওয়ারের বদলে ব্যাটারি দিয়ে চলে।

সিসি ক্যামেরা দিয়ে কতদূর ভিডিও রেকর্ড করা প্রয়োজন?

বর্তমানে সিসিটিভি ক্যামেরার লেন্স এর গুণ ও জুম লেন্স, রেজুলেশন, আইআর কৌশলগুলি আপনি যে সময়ের মধ্যে পর্যবেক্ষণ করছেন তার উপরে অনেকটা নির্ভর করে। সুতরাং ক্যামেরাটি যদি দিন ও রাতের হয় সেক্ষেত্রে মনে রাখবেন দিনের চেয়ে রাতে ৬০ ইঞ্চি থেকে ১২০ ইঞ্চি কম অংশ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আপনি কতটা অংশ নিয়ন্ত্রণ করবেন তা সঠিকভাবে নির্ণয় করুন যাতে মুখ সহ কোন জিনিস পরিস্কারভাবে ভিডিও রেকর্ড করা যায়। তবে অনেক সময় সিসি ক্যামেরা ২.৮ মিলিমিটার লেন্সের সঙ্গে ৬০ ইঞ্চি স্পষ্টবাবে ভিডিও রেকর্ড করতে পারে এবং যত দূরত্ব বেশি হবে সেক্ষেত্রে কম পরিষ্কার দেখা যাবে। এদিকে ২২ মিলিমিটার লেন্স অতি তাড়াতাড়ী ৪৮০ ইঞ্চি পর্যন্ত ভিডিও রেকর্ড করতে পারে।

সুতরাং স্বচ্ছ ভিডিও রেকার্ডের প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক লেন্সটি নির্বাচন করুন। তাছাড়াও আইআর আলো যা কিনা সাদা-কালো রঙের জন্য রাতের সময় সুস্পষ্টভাবে ভিডিও রেকর্ডিং এ সুবিধা দেয়। সেজন্য আপনি আইআর দূরত্ব জানুন এতে আপনার লেন্সের অনেকটা একইরকম দূরত্ব নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ক্যামেরার রেজুলেশন সচারচর মেগাপিক্সেলে মাত্রা অনুযায়ী তা ভিডিওর দৃশ্য রেকর্ড করার জন্য যথেষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সেজন্য এটির যত বেশি ধারণ ক্ষমতা হবে ঠিক তত স্বচ্ছ ছবি হবে। নিম্নে এইচডি কোয়ালিটির সিসি ক্যামেরার চেষ্টা করুন।

কিভাবে ক্যামেরা কানেক্ট করবেন?

ক্যামেরা কানেক্ট করার অনেক উপায় আছে। তার মধ্যে একটি হচ্ছে কক্সিয়াল ক্যাবল ব্যবহার গতানুগতিক প্রক্রিয়া এটি বিশেষভাবে পাওয়া যায়। বর্তমান নেটওয়ার্কিং ক্যামেরাগুলো সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে কারণ এটি ফালতু কোন সেটআপের প্রয়োজন নেই বর্তমান ইন্টারনেট কেবল এর মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়। মনে রাখবেন নির্বাচন করা সিসিটিভি ক্যামেরাগুলির ভিডিও রেকর্ডারকে সহায়তা করে। বেশ কিছু ক্যামেরায় ওয়াইফাই লাইন লাগানোর ব্যবস্থা রয়েছে সে জন্য এগুলিকে ওয়াইফাই ক্যামেরা বলা হয়। সে জন্য এসব ক্যামেরাগুলিতে কোন প্রকার কেবলের সেটআপ প্রয়োজন হয় না। এছাড়াও কিছু কিছু ক্যামেরায় পিওয়াই পোর্ট রয়েছে যা কোন প্রকার লাইন লাইন সংযোগ ছাড়াই ক্যামেরাকে যুক্ত করতে পারে। ক্যামেরাটি সেটআপের জন্য অনেক সুবিধা।

কোথায় ক্যামেরা সেটআপ করতে করবেন?

আপনি বাসা-বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের যে কোনো স্থানে ক্যামেরা সেটআপ করতে পারেন। সেক্ষেত্রে এটিকে দূরত্ব বজায় রেখে সেট করা উচিত যাতে রেকর্ডারে সিগন্যাল সঠিকভাবে পৌঁছাতে পারে। যদি বাহিরে সেটআপের জন্য রাখেন তাহলে পানি যাতে না পড়ে সেই বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে। অনেক ক্যামেরা আছে পানিরোধী নয় সেক্ষেত্রে এটিকে পানিরোধী ও ধুলো থেকে রোধ করতে সংযোজিত আবাসন সহায়তা করে। সঠিক আকার নির্ধারণ করুন যেন ক্যামেরাগুলি অল্প দৃশ্যমান হয় তাতে সৌন্দর্য্য বেড়ে যাবে। অবশ্যই প্রয়োজন অনুযায়ী মনে রাখবেন ক্যামেরা ইনস্টল করবেন না যা কিনা একটি ক্যামেরা অন্য ক্যামেরাটিকে ভিডিও রেকর্ড করে। এ রকম সমস্যা সমাধান দূর করার জন্য আপনাকে বিভিন্ন ধরণের ক্যামেরা ইনস্টলের প্রয়োজন হতে পারে।

সিসি ক্যামেরা সুরক্ষিত জায়গায়  রাখতে কত টাকার প্রয়োজন?

আপনার নির্ধারিত স্থান রয়েছে সেই সব স্থান সুরক্ষিত করার জন্য অনেকগুলো ক্যামেরা ক্রয় করার প্রয়োজন হতে পারে, তাই এটি নির্ধারণ করে যেটুকু এলাকার মধ্যে কভার করতে চান, ভিডিও রেকর্ডিং এর সঠিকমান। বর্তমান বাংলাদেশে সর্বনিম্নে একটি সিসিটিভি ক্যামেরার দাম প্রায় ১,০০০ (এক হাজার) টাকা থেকে শুরু যা কিনা বেশিরভাগ মানুষের জন্য যথেষ্ট সুবিধা। কিন্ত আপনার প্রয়োজনীয় সিসিটিভি ক্যামেরার সংখ্যা অনুযায়ী এই ১,০০০ (এক হাজার) টাকাকে গুণ করতে পারেন।

মিডরেঞ্জ এর সিসিটিভি ক্যামেরাগুলোর দাম বাংলাদেশে আনুমানিক ২,৫০০ (দুই হাজার পাঁচ শত) টাকা থেকে শুরু যা কিনা আপনাকে আরও পরিস্কার এবং ক্রমাগত ভিডিও রেকর্ডিংয়ের সুবিধা দিবে। এছাড়াও এন্টারপ্রাইজ গ্রেড সিসিটিভি ক্যামেরার দাম প্রায় ২,০০০ (দুই হাজার) টাকা থেকে ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা এবং এই ধরণের ক্যামেরাগুলিতে মোশন যুক্ত রয়েছে, ব্যাটারির ব্যাকআপ ও বিভিন্ন প্রকার সুবিধা রয়েছে।

সিসিটিভি ক্যামেরার আইআর কী?

লাইটিং ব্যবস্থা যে রকম হোক না কেন, নাইট ভিশন সিসি ক্যামেরাগুলো ২৪ ঘণ্টাই আউটডোর সম্পূর্ণ রূপে কভারেজ করে থাকে। এসব ক্যামেরাগুলো দিনের বেলায় নির্দিষ্ট একধরণের কালার ছবি দিয়ে থাকে এবং রাতের সময় ইনফ্রারেড ভিউ (আইআর) এর কারণে সাদা-কালোতে আকারে হয়।

সিসি ক্যামেরায় ভিডিও কিভাবে দেখা যায়?

সিসি ক্যামেরার আউটপুট কানেকশনের মাধ্যমে টিভিতে সরাসরি ব্যবহার করা যায়। সেক্ষেত্রে দূর থেকে দেখতে হলে আপনাকে অবশ্যই আইপি’র সুবিধা সহ সিসিটিভি ক্রয় করতে হবে।

Post a Comment

0 Comments